পৃথিবী থেকে পাখি নিশ্চিহ্ন হলে, নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে অসংখ্য উদ্ভিদ প্রজাতি, বিনাশের দিকে এগিয়ে যাবে পৃথিবীর সভ্যতা । তাই পাখি বাঁচান, প্রকৃতি বাঁচান, সভ্যতা বাঁচান।লকডাউনে অন্যান্য জীব জন্তুর মত পাখির চোরাশিকার অনেকাংশে বেড়েছে।এত বড় শতাব্দি কুখ্যাত মহামারীও আমাদেরকে প্রকৃতির প্রতি যত্নশীল হতে শেখাতে পারেনি। প্রায়ই গ্রামের মাঠেঘাটে বন্দুক হাতে পাখি শিকারিদের দেখা যাচ্ছে। অনেকেই ভয়ে মুখ খোলে না। অনেকেরই আবার এ নিয়ে কোন মাথা ব্যথা নেই।কিন্তু আমাদের ভুলে গেলে চলবেনা, এই পাখিদের জন্যই অসংখ্য গাছ তাদের বংশ বিস্তার করতে পারে। একদিকে তারা যেমন গাছের বীজকে অন্যত্র নিয়ে গিয়ে বংশ বিস্তারে সাহায্য করে। ফুলের পরাগমিলনে পাখি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। গ্রাম বাংলার বট, অশ্বত্থ,পাকুড়ের মতো বেশ কিছু গাছ যেগুলো পাখিদের মাধ্যমেই বংশবিস্তার করে থাকে।পঞ্চাশ শতাংশের বেশি বন্যপ্রাণী নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে শুধুমাত্র মানুষের অত্যাচারে ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে। শকুন,সারস, কাঠঠোকরা,বাজ, পেঁচা,বগাড়ি, চড়ুইসহ অসংখ্য পাখি আজ বিলুপ্তির পথে। সুতরাং গাছেদের বংশবিস্তার তথা প্রকৃতির প্রাণসত্তাকে বাঁচিয়ে রাখতে আসুন, আমরা পাখি বাঁচাই, পৃথিবী বাঁচাই।
বিবেক বৃক্ষ,অর্ধেন্দু বিশ্বাস( প্রতিষ্ঠাতা মিশন গ্রিন ইউনিভার্স)